ঢাকা, রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আদার দামে কৃত্রিম কারসাজি, প্রশাসনের নজরদারির দাবি

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আমদানি বন্ধের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলিতে এক রাতের ব্যবধানে আদার দাম কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ১২০ টাকা। ঈদের আগ মুহূর্তে আদার এমন দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ ক্রেতারা।

রবিবার (১৬ জুন) সকালে হিলি বাজার ঘুরে জানা যায়, গত শুক্রবার প্রকারভেদে যে আদা বিক্রি হয়েছিল ২০০ থেকে ২২০ কেজি দরে। এক রাতের ব্যবধানে শনিবার সকাল থেকে খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে ২ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে বন্দরের আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সেই সঙ্গে বাজারে আদার চাহিদাও রয়েছে। যে কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

হিলি বাজারে মসলা কিনতে আসা মফিজ বলেন, দেশটা মগের মুল্লুক হয়ে গেছে। ১২০ টাকার আদা একলাফে ৩২০ টাকা হয়ে গেছে। এক রাতের ব্যবধানে দাম এত বাড়লে আমাদের মতো গরীব মানুষ কীভাবে বাঁচবে।

আরও পড়ুন  মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ

আদা ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান বলেন, গত শুক্রবার প্রকারভেদে আদা ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। দাম বেড়ে এখন তা পাইকারি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। খুচরা ব্যবসায়ীরা সেটা ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। আমদানি বন্ধ এবং চাহিদা বেশি থাকায় আদার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সচেতন মহলের দাবী, কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে আদার দাম বাড়ানো হয়েছে যা কোনভাবেই কাম্য নয়। খুচরা বাজারে দাম হাকানোর প্রবনতা একটু বেশি আমাদের দেশে। আদার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্বেও এ ধরনের কারসাজি মেনে নেয়া যায়না। আইন শৃঙ্কলা রক্ষা বাহিনী একটু নজরদারি বাড়ালেই এধরনের অনিয়ম ঠেকানো সম্ভব।

আরও পড়ুন  পটিয়ায় 'নৌকা'র সঙ্গে লড়বেন ৭ প্রার্থী

ট্যাগঃ