ঢাকা, শনিবার - ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিমসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এরফান সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর এ আদেশ দেন।

এদিন ইরফান সেলিম আদালতে হাজির না হওয়ায় আইনজীবী সময় আবেদন করেন। আদালত সে আবেদন নামঞ্জুর করে জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।

আরও পড়ুন  হাই কোর্টে হারলেন ড. ইউনূস, ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে আপিল করার নির্দেশ

অভিযুক্ত অপর চার আসামি হলেন- ইরফান সেলিমের দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা, গাড়িচালক মীজানুর রহমান, মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এ বি সিদ্দিক দীপু ও সহযোগী কাজী রিপন। এদের মধ্যে জাহিদুল বর্তমানে কারাগারে আছেন। মীজানুর ও দীপু জামিনে আছেন এবং কাজী রিপন পলাতক।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এসময় হাজী সেলিমের ছেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান ও নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে ইরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে মারধর করে মেরে ফেলার হুমকি দেন। তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

আরও পড়ুন  ১১শ লাশ আমাদের সামনে, তাদের স্বজনরাও ন্যায়বিচার চান: প্রধান বিচারপতি

এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মমিনুল হক পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

আরও পড়ুন  কালিহাতীতে ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে মানব বন্ধন

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ