ঢাকা, সোমবার - ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ওএমএস’র চালসহ ডিলারকে ধরলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

মজুদ থাকার পরও সরকারি ন্যায্যমূল্যের (ওএমএস) চাল বিক্রি না করে চলে যাওয়ার সময় খাদ্য অধিদপ্তরের এক ডিলার ধরা পড়েছেন। তার নাম সুভাষ চৌধুরী। তার কাছ থেকে ৩০৭ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চালগুলো ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় তাকে আটক করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম।

পরে খবর পেয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এলে তাদের জিম্মায় সুভাষকে ছেড়ে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন  পতেঙ্গায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

এ বিষয়ে কাউন্সিলর মো. জহিরুল আলম জসিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ফয়’স লেক পার্কিং মাঠে ট্রাকে করে ওএমএস চাল বিক্রি করা হচ্ছিল। লাইনে প্রচুর মানুষ ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ডিলার সুভাষ চাল শেষ বলে আর বিক্রি করবেন না বলে লোকজনকে জানান। তখন সেখানে থাকা লোকজন আমাকে বিষয়টি ফোনে জানায়। তারা এটাও জানায়, ট্রাকে চাল আছে। তখন তাকে আটক করতে বলি। আমিও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোট শেষে চলছে গণনা

তিনি আরও বলেন, ট্রাকে ত্রিপলের নিচে সাত বস্তা চাল রয়েছে। এর মধ্যে চারটি বস্তা ছিল সম্পূর্ণ চাল ভর্তি। বাকি পাঁচ বস্তায় অর্ধেক করে ছিল। সেখানেও তিন বস্তা হবে। সব মিলিয়ে সাত বস্তায় ৩০৭ কেজি চাল ছিল। পরে খাদ্য অধিদপ্তরের লোকজন এসে জানায়, সুভাষের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। তাদের জিম্মায় সুভাষ ও ট্রাক দিয়ে দিই। চালগুলো গরিব মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়।

আরও পড়ুন  ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’: জরুরি সেবা কেন্দ্র চালু চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের

এ বিষয়ে জানার জন্য চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল কাদেরের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা।

তিনি বলেন, ওমএসের চাল বিক্রি করা হচ্ছিল। সবগুলো চাল বিক্রি না করে চলে যাচ্ছিল ডিলার। লোকজন দাবি করার পর আবার চাল বিক্রি করা হয়।

ট্যাগঃ