ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার পর পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী এ শোকসভা শুরু হয়। এরপর তা বিকালে সাড়ে ৫টার দিকে শেষ হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এই শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন- স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

শোকসভায় বিশিষ্টজনরা বলেন- বেগম জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে হবে। তার দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে সবাইকে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বক্তারা। সাইফুল ইসলামের রিপোর্ট।

আরও পড়ুন  চীনের গোয়েন্দা বেলুন ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

পুরো জাতিকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে ৩০ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। পরদিন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয় তার ঐতিহাসিক জানাজা। যেটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা। পরে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পাশে তাকে দাফন করা হয়।

যে মহীয়সী আজীবন মানুষকে ভালবাসার মায়াজালে বেঁধেছেন, নিজের পরিবারের কথা না ভেবে সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায়। তাঁর স্মরণে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই নাগরিক শোকসভা। যেখানে দর্শক সারিতে বসে নাগরিক সমাজের কথা শুনেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডাক্তার জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ও জিয়া পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন  আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে দরিদ্র নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের যত চিন্তা

শোকসভায় বেগম জিয়ার জীবন ও আপোসহীন সংগ্রাম নিয়ে কথা বলেন, দেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, চিকিৎসক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিচারকসহ নানা শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ডক্টর আসিফ নজরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার মিথ্যা মামলায় বেগম জিয়াকে কারাবন্দী করেছিল, যা ছিল চরম অন্যায়।

এর আগে এদিন রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুপুরের পর থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে শুরু করেন।

নাগরিক শোকসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও অংশ নেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের উপস্থিতিও দেখা গেছে। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য অতিথিদের আগে থেকেই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়। আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কাউকে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।শোকসভাকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন- সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  ভারত থেকে এলো ১৬৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ

শোকসভাস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়। অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

উল্লেখ্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। পরদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে জিয়া উদ্যানে দাফন করা হয়।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ