ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ’ বাহিনীর ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি করার ঘটনায় জড়িত এবং থানা থেকে লুট করা অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের তিন বাহিনীর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে রিভলভার, পিস্তল, এসএমজি, গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে সিএমপির সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সোমবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকবাজার থানা পুলিশের একটি দল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মো. আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রকাশ রিমন ইমনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চকবাজার এলাকা থেকে একটি বিদেশি থ্রি-টু বোর রিভলভার ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটি সিএমপির পাহাড়তলী থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম-৮ আসনে 'নৌকার মাঝি' নোমান আল মাহমুদ

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মারুফ হোসেন তুষার (২১), মো. বাবু (২৭) ও মেহেদী হাসান প্রকাশ হাসান (২২)। তাদের কাছ থেকে রিভলভার, পিস্তল, এসএমজি, গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রিমন ইমন বহদ্দারহাটে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আট হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি এবং বড় সাজ্জাদ গ্রুপের অন্যতম সহযোগী।

রিমন ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ব্রাজিলিয়ান টরাস নাইন এমএম পিস্তল ও একটি মোটরসাইকেলসহ মনির নামে আরেক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি সিএমপির ডবলমুরিং থানা থেকে লুট করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।

আরও পড়ুন  ১২ দেশের নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, সবশেষে মনিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে তার সহযোগী সায়েমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সায়েমের দেখানো মতে, খুলশী থানা এলাকা থেকে একটি এসএমজি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো খাগড়াছড়ির পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল। গ্রেপ্তার তিনজনই শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তারা সাজ্জাদের নির্দেশে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং বালুমহাল নিয়ন্ত্রণে সশস্ত্রভাবে অংশ নিত।

আরও পড়ুন  হাজারীবাগ বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

সাজ্জাদ গ্রুপের শপথ নেওয়া রিমন ইমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রেপ্তার রিমন ইমনের কাছ থেকে সাজ্জাদ গ্রুপের নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছে, সম্প্রতি চন্দনপুরায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া তিনটি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করছি। বিষয়টি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

তাদের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস জানিয়ে ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তার মনির ও সায়েমের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে ১০টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং আরও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ