ঢাকা, বুধবার - ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারকে মাদকপ্রবণ অঞ্চল ঘোষণা করছে সরকার

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

চট্টগ্রাম মহানগরী ও কক্সবাজার জেলাকে মাদকপ্রবণ অঞ্চল ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশের সবচেয়ে বড় এই রুটকে সরকার মাদকপ্রবণ অঞ্চল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে রূপরেখা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বৈঠকের অগ্রগতি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের একটি সমন্বিত তালিকা তৈরির কার্যক্রম চলমান। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কমিটির আগের বৈঠকে মাদক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনাকালে মাদক পাচারে জড়িত রোহিঙ্গাদের বিচারে পৃথক আইন প্রণয়নের প্রস্তাব আসে।

আরও পড়ুন  ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের অঘোষিত বৈঠক অনুষ্ঠিত

জানা গেছে, কমিটির আগের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। পরে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকা ও কক্সবাজার জেলাকে মাদকপ্রবণ এলাকা ঘোষণা করার বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ আসে। গতকালের বৈঠকে ওই সুপারিশের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সব বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে মতবিনিময় করে দুই এলাকাকে মাদকপ্রবণ এলাকা ঘোষণা করার বিষয়ে রূপরেখা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। আগের বৈঠকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ্‌ আল মাসুদ চৌধুরী প্রসঙ্গটি তোলেন। মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হলেও উৎপাদনকারী দেশগুলোর কাছাকাছি অবস্থান, ভৌগলিক কারণে বাংলাদেশ মাদকে আক্রান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ, ভারত থেকে হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইনজেক্টিক ড্রাগের অনুপ্রবেশ ঘটে বাংলাদেশে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার পুনরুল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, মাদক পাচারের সঙ্গে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যিনিই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক ব্যবসায়ী যত শক্তিশালীই হোক না কেন প্রধানমন্ত্রীর থেকে তা শক্তিশালী নয়। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে এখানে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এখানে বাস করতে হলে আমাদের দেশের আইন মানতে হবে। আমাদের রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে থাকতে হবে। এসব বন্ধ না করলে হয় তারা তাদের দেশে ফেরত যাবে, না হয় অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। তাদের ভাসানচরে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন  ‘ডলারে’ ঋণ পাবে ১৮ ব্যাংক

তিনি বলেন, বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া কাটলেই গুলি চালায়। এখানে তারের বেড়া কাটলে আমাদেরও কঠোর হতে হবে। কক্সবাজার অঞ্চল মাদকপ্রবণ এলাকা বলেই এখানে সংসদীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ