ঢাকা, সোমবার - ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণা

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

তিন কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পর তিন দিনের জন্য ঢাকা কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংঘর্ষ ঘিরে চলমান উত্তেজনা ‘প্রশমনে’র জন্য আগামী ৬ এবং ৭ মার্চ কলেজটি বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটিতে কলেজ বন্ধ থাকবে ৮ মার্চও।

রবিবার (৫ মার্চ) সকালে ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয় সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায়। এ নিয়ে দিনভর গোটা এলাকায় ছিল উত্তেজনা। পরে সন্ধ্যায় ঢাকা কলেজের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিন দিন ক্যাম্পাস বন্ধ রাখার তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  স্বামী বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ: জাবির ৫ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার, ২ জনের সনদ বাতিল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণে আগামী ৬ মার্চ কলেজের সব ক্লাস স্থগিত থাকবে। এ ছাড়া ‘শুভ দোলযাত্রা’ উপলক্ষে ৭ মার্চ এবং শবে বরাত উপলক্ষে ৮ মার্চও কলেজের সব ক্লাস স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে ৭ মার্চের বন্ধকে দোলযাত্রার ‍ছুটি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এটি সরকার নির্ধারিত ছুটির দিন নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৮ মার্চ ছাড়া বাকি দিনগুলোতে অফিস ও বিভাগ খোলা থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রমও যথারীতি চলবে। তবে ঢাকা কলেজের সব অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এ দুদিনসহ তিন দিন স্থগিত থাকবে।

আরও পড়ুন  বন্যার কারণে ৪ জেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২দিন বন্ধ ঘোষণা

কোন ‘অনিবার্য কারণে’ কলেজ বন্ধ দেয়া হয়েছে- জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, আজ আমাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুটি কলেজের শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সেই উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বন্ধ ঘোষণা করেছি।

তিন কলেজের দ্বন্দ্ব মেটানোর বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, ঢাকা কলেজের সঙ্গে আইডিয়াল ও সিটি কলেজের দ্বন্দ্ব অনেক পুরোনো। কাল (সোমবার) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আসবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলব। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, এভাবে চলতে দেয়া যায় না। এই তিন কলেজ নিয়ে বসা প্রয়োজন। না হলে এ পরিস্থিতির অবসান ঘটবে না।

আরও পড়ুন  ছাত্রী উত্ত্যক্তের অভিযোগে রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

অভিমানের সুরে অধ্যাপক ইউসুফ বলেন, মারামারি যখন লাগে তখন আমাদের শিক্ষকরা ছাত্রদের ফিরিয়ে আনতে মাঠে যান। সেই শিক্ষকরা আহতও হন। কিন্তু ওই কলেজের শিক্ষকরা কখনো তাদের ছাত্রদের ফিরিয়ে আনতে মাঠে নামেন না।

রবিবার দুপুর ২টার দিকে এই সংঘর্ষ বাঁধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এ ঘটনায় ল্যাবএইড হাসপাতালের পেছনের সড়ক গ্রিন রোড ও সায়েন্স ল্যাব মোড়ে যান যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ