ঢাকা, শনিবার - ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ফরিদপুরে বাস থামিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণের বার ছিনতাই

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি বাস থেকে মো. রাসেল মিয়া (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীকে নামিয়ে ২০টি স্বর্ণের বার ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের কামারখালী সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় এ ছিনতাই ঘটে।

এ ঘটনায় রাতে মধুখালী থানায় মামলা করেন রাসেল। রাসেল কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চান্দিনা হাসিমপুর এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে। ছিনতাইয়ের শিকার রাসেল বলেন, ঢাকার তাঁতীবাজারে নিলখী বুলিয়ন স্টোর ও ঢাকার উত্তরায় নিউ মা-মনি জুয়েলার্স নামে তার দুটি স্বর্ণের দোকান রয়েছে। তিনি গয়না বানানোর জন্য চুয়াডাঙ্গার বড় বাজার এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করেন।

আরও পড়ুন  সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস ঢুকে পড়ল দোকানে, নিহত ১

পুলিশ জানায়, ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রইচ মিয়া (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার বিকালে আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

রইচ মধুখালীর পশ্চিম আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কামারখালী সেতুর টোল প্লাজায় কাজ করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) সুমন কর বলেন, এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে বিকেলে মধুখালী থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ননী গোপাল সরকার বলেন, এ ঘটনায় শনিবার সকালে পশ্চিম আড়পাড়া গ্রাম থেকে রইচকে গ্রেফতার করা হয়। বিকালে তিনি আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  নবাবপুর মোহাম্মদিয়া মার্কেটে আগুন

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাসেল ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার বড় বাজারে যাওয়ার জন্য বরিশালগামী সাকুরা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। এ সময় তার সঙ্গে সোনার বারগুলো ছিল। সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখান থেকে খান পরিবহনের একটি বাসে করে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে রওনা দেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খান পরিবহনের বাসটি মধুখালী উপজেলার পশ্চিম আড়পাড়া এলাকার কামারখালী গড়াই সেতুর টোল প্লাজায় পৌঁছায়। টোল পরিশোধের জন্য বাসটি থামলে আট-নয়জন একটি মোটরসাইকেল সামনে থামিয়ে বাসটি আটকান। এরপর তারা বাসের ভেতরে উঠে ওই ব্যবসায়ীকে শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে নিচে নামান।

আরও পড়ুন  অবরোধে ট্রাক পোড়ানোর মামলায় কারাগারে যুবলীগ নেতা

তিনি প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাকে কিলঘুষি মারেন এবং ভয়ভীতি দেখান। পরে আসামিরা তাকে সড়কের পাশে থাকা একটি করাতকলের মালিকের বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে তার কাছে থাকা ২০টি স্বর্ণের বার ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে আসামিদের মধ্যে একজন সোনার বারগুলো নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে মাগুরার দিকে চলে যান।

ট্যাগঃ