ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

মিয়ানমারে ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২ হাজার

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে মিয়ানমার- থাইল্যান্ডে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩হাজার ৪০০ জনেরও বেশি এবং দুই শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এ পরিস্থিতির মধ্যেই মিয়ানমার সরকার সাত দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এমআরটিভি জানিয়েছে সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই শোককালীন সময়ে দেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

জান্তা সরকারের মুখপাত্র জো মিন তুন জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ১ হাজার ৭০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এর পাশাপাশি আরও অন্তত ৩ হাজার ৪০০ জন আহত হয়েছে এবং এখনও ৩ শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার কাজ চলছে, তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব রয়েছে।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ‘বিবৃতিতে’ স্বাক্ষর করবেন না ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল

ভূমিকম্পের ফলে অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে, সেতুগুলো ভেঙে গেছে এবং সড়কগুলোর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। মিয়ানমারের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার কাজে আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং হাতিয়ার নেই, যা তাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলছে।

রেডক্রসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ১০০ বছরে এশিয়া এমন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়নি। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, যারা আমাদের সাহায্য চাইছেন, তাদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না বিভিন্ন সমস্যার কারণে।

আরও পড়ুন  নির্বাচন এলেই সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়

প্রথম ভূমিকম্পের মাত্র ১২ মিনিট পর দ্বিতীয় কম্পন অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৬.৪। এরপর শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত একাধিক মৃদু কম্পন অনুভূত হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

মিয়ানমারের মান্দালয়, সাগাইং, মাগওয়ে, বাগো, ইস্টার শান রাজ্য এবং নেপিডো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য পৌঁছানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন  ২৮ অক্টোবর তিন দলের সমাবেশ: বিশেষ বার্তা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

এ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, তবে ভূমিকম্পের তীব্রতায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ফলে উদ্ধার কাজ অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ