ঢাকা, বৃহস্পতিবার - ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাজধানীর জিয়া সরণি এলাকায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

রাজধানীর কদমতলী জিয়া সরণি এলাকায় ফাহমিদা ফারুকী এশা (২৩) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তাকে হত্যা করে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আল ইমরান সাব্বিরের (৩৬) বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা ওমর ফারুক বাদী হয়ে কদমতলী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।

আরও পড়ুন  দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল পেছাল

নিহত ফাহমিদার বাবা ওমর ফারুক অভিযোগ করে বলেন, জামাইসহ তার পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়েকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, আট বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর বিভিন্নভাবে আমার মেয়েকে তার স্বামী নির্যাতন করত। সাব্বির পরকীয়া করত। গত ২২ তারিখে রাত ৩টার দিকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাসায় এসে আমার মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। বৃহস্পতিবার সকালে আমার ছোট মেয়েকে ফোন দিয়ে ফাহমিদা জানায়, তার স্বামী তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে এবং ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য টাকা পাঠাতে বলে।

আরও পড়ুন  পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ, চলতি মাসেই উদ্বোধন

তিনি আরও বলেন, বিকেলে মেয়ের ফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। জামাইকে কল দিলে রিসিভ করে না। সন্দেহ হলে সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী মেয়ের বাসায় যান। জামাই সাব্বিরের কাছে মেয়ের কথা জানতে চাইলে জানায় সে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু আমার স্ত্রী দরজা খুলে দেখে আমার মেয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে।

ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সহযোগিতায় সাব্বির পালিয়ে যায়। যেহেতু আমাদের অভিযোগ আছে, তাকে আটক করা উচিত ছিল। পুলিশের সামনে থেকে সে পালিয়ে গেল।

আরও পড়ুন  বিশ্ববন্ধু সেবাশ্রমের পূজারিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমারসাহা জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। মেয়ে হত্যার অভিযোগে পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন নিহতের বাবা।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ