ঢাকা, রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন ড. মসিউর রহমান

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

কোন অঘটন না ঘটলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন।

সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র ভয়েস অফ এশিয়াকে নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য যে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মেয়াদ আগামী এপ্রিলে শেষ হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখ ভোটের দিন রেখে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি যাচাই বাছাইয়ের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে।

আরও পড়ুন  তদন্ত ছাড়া কারও চাপে বীমার টাকা দেবেন না: প্রধানমন্ত্রী

মনোনয়ন জমা দেয়ার পর পরই নতুন রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন রাজনৈতিক দল এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না। যেহেতু ৩৪৩ জন সংসদ সদস্যের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে এবং সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, কাজেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ড. মসিউর রহমানকে চূড়ান্ত করেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ৫৩৭

মসিউর রহমান একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা। মসিউর রহমান একজন সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ছিলেন।

সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর মসিউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেন এবং মসিউর রহমানকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় তাঁর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন  আমি আর খেলবোনা: সাকিব আল হাসান

২০১৬ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের দলীয় পরিষদের নির্বাচনে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে তিনি পুনরায় একই পদে নিয়োগ পান।

ট্যাগঃ