তাবলিগ-জামাতের বাংলাদেশের মারকাজ কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করেছেন দিল্লির নিজামুদ্দীনের মাওলানা সাদের অনুসারীরা।
এদিকে কাকরাইল এলাকায় মাওলানা সাদ অনুসারীদের অবস্থানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৮টায় মসজিদ বুঝে পাওয়ার পর তারা কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাওলানা সাদ অনুসারীদের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম।
তিনি বলেন, আজ সকালে কাকরাইল মসজিদ ছাড়ার কথা থাকলেও গতকাল রাতেই মসজিদ ছেড়ে গেছেন তাবলিগের শূরায়ে নিজামপন্থিদের (মাওলানা জুবায়েরপন্থি) অধিকাংশ। সকালে অল্প কিছু লোক মসজিদে অবস্থান করেছেন। তারা প্রশাসনকে মসজিদ বুঝিয়ে দিয়েছেন।
রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলমের কাছ থেকে মসজিদের সবকিছু ঠিকঠাক বুঝে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেছেন মাওলানা সাদের অনুসারীরা।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের নভেম্বর দু’পক্ষের দ্বন্দ্ব প্রথম প্রকাশ্য রূপ নেয়। সেদিন কাকরাইলে দু’দল কর্মীর মধ্যে হাতাহাতি হয়। অঅর এতে গত ৭ বছর ধরে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে কাকরাইল মসজিদের এক অংশে জুবায়েরপন্থিরা ৪ সপ্তাহ ও সাদপন্থিরা দুই সপ্তাহ করে পর্যায়ক্রমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তবে মসজিদের অপর অংশ জুবায়েরপন্থিরা ১২ মাসই নিজেদের দখলে রাখেন।
সাদপন্থিদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হেফাজত সমর্থিত জুবায়েরপন্থিরা বেশি সুবিধা ভোগ করে আসছেন। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার মাঠ নিয়েও দুই পক্ষের বিরোধ দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে।














