পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধে ‘হুমকিমূলক’ বেনামি চিরকুটটি কোনো জঙ্গি সংগঠনের হুমকি নয় বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। তার দাবি, বরং আতংক ছড়াতে কেউ এটা করেছে।
মহাপরিচালক বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধে উড়ো চিঠিটি আসলে কোনো জঙ্গি সংগঠনের হুমকি নয় বরং আতঙ্ক ছড়াতে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি এটা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে রাজধানীর রমনার বটমূলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধে উড়ো চিঠিটি আসলে কোনো জঙ্গি সংগঠনের হুমকি নয় বরং আতঙ্ক ছড়াতে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি এটা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, যেকোনো নাশকতা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, র্যাবের গোয়েন্দা ও সাইবার মনিটরিংয়ে কোনো জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই। তবুও বাহিনী আত্মতুষ্টিতে নেই।
এদিকে রমনা বটমূলে চলছে মঞ্চ সাজানোর কাজ। একইসঙ্গে বৈশাখের আয়োজন ঘিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিতে গোটা এলাকা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) আওতায় আনতে কাজ করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সারা দেশে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আসন্ন পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধে ‘হুমকিমূলক চিরকুট’ পাওয়া গেছে; এমন দাবিতে বুধবার রাতে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আয়োজক কমিটির এক সদস্য।
জিডির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদে মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে অর্থ ও নিরাপত্তা কমিটির দায়িত্ব পালনের সময় ১১ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে চারুকলার পশ্চিম পাশের দেওয়ালে রঙের কাজ তদারকির সময় প্লাস্টিক চেয়ারের ওপর একটি সাদা কাগজ ও পঞ্চাশ টাকার নোট পাই। ওই কাগজে লেখা ছিল- মঙ্গল শোভাযাত্রা কাজটা শিরকের, এখানে এসে ক্ষতি করো না তোমাদের, হামলা হতে পারে এনিটাইম ঐ দিনের, দাজ্জালী বাহিনী পাবে না টের মোদের।














