- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

আমরা সরকার গঠনে আশাবাদী: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে সেই রায় আমরা মেনে নেব। অন্যদেরও তা মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর মণিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দেড় যুগ দেশবাসী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল, আমিও ছিলাম। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাইনি। তিনটি নির্বাচন হারানোর পর আল্লাহ আজ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

তিনি আরও বলছেন, শুধু তিনি নন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, যারা জীবনে একটি ভোটও দিতে পারেনি। তারা এই দিনের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত হবে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

আগামী সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এমন সরকার গঠিত হোক, যা কোনও ব্যক্তি, পরিবার বা দলের সরকার হবে না বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী।

আরও পড়ুন  ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের 'বই উৎসব' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা ঘর থেকে বেরিয়ে আসুন, নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হোন।

ভোটের পরিবেশ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, আমি এখন শুধু আমার কেন্দ্রেই ভোট দিয়েছি। বাকি কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব, সারা দেশের খবর নেব। ছোটখাটো বিষয় হলে  আমরা উপেক্ষা করব, কিন্তু বড় কোনও অনিয়ম হলে ছাড় দেব না। মানুষের ভোটাধিকার হারিয়ে যাক, এটা আমরা কোনও ভাবেই চাই না।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় ব্যয়বহুল শহর ঢাকা

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, মিডিয়া রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। দেশ গড়ার কাজে আমরা গণমাধ্যমকে পাশে চাই। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমরা আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, একই সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, সে আমি হলেও আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু যা অপরাধ নয়, সেটিকে জোর করে অপরাধ বানানো আরও বড় অপরাধ।