- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত পুলিশ: আইজিপি

বাংলাদেশ পুলিশ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনসহ সব ধরনের নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রংপুর জেলা পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস হলরুম (কল্যাণ ফান্ড) সেডের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে। এ নিয়ে কোনো হুমকি নেই, গুরুতর বিষয় হিসেবে দেখছি না। তারপরও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  মাত্র দুই ভোট পেল বাংলাদেশ, ভারতে না খেললে বিশ্বকাপে বিকল্প দল নেবে আইসিসি

বঙ্গবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আগুনের ঘটনা সম্পর্কে আইজিপি বলেন, এখনও আমরা নিশ্চিত নই যে এগুলো জঙ্গি হামলা কিংবা অন্য কোনো কারণে হয়েছে কি না। বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ প্রধান বলেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা সবসময় প্রশংসনীয়। আমরা জঙ্গি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। তারপরও পুলিশ আত্মতুষ্টিতে নেই। পুলিশ সবসময় সজাগ রয়েছে এ ব্যাপারে।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন সবসময় জিরো টলারেন্স। সকল বাহিনী মাদক নির্মূলে কাজ করছে। আমরা একটা মাদকমুক্ত সমাজ চাই। এক্ষেত্রে প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। ছেলে-মেয়ে কোথায় যাচ্ছে, কখন ঘরে ফিরছে, কার সঙ্গে মিশছে, এই বিষয়গুলো দেখা দরকার।

আরও পড়ুন  বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে আমাদের প্রতিবেশী বানাবো: প্রধান উপদেষ্টা

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নুরে আলম মিনা, পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা। এর আগে আইজিপি বিমানযোগে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর যান। পরে সড়কপথে রংপুরে পৌঁছে পুলিশ অফিসার্স মেস ও পিটিসি রংপুরের একাডেমিক ভবন উদ্বোধন করেন। এছাড়াও বৃক্ষরোপন ও মাছের পোনা অবমুক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন  র‌্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু, অপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

উল্লেখ্য, রংপুর পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস হলরুম কল্যাণ ফান্ড নির্মাণে মোট ব্যয় হয় দুই কোটি চৌত্রিশ লক্ষ তেত্রিশ হাজার সাতশত পঁচাত্তর টাকা। এছাড়াও ১০ তলা বিশিষ্ট ট্রেনিং সেন্টার ১৯ কোটি ১৮ লাখ ও ৬ তলা বিশিষ্ট পুলিশ অফিসার্স মেস ১৯ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।