ইউরোপে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ থেকে ইউক্রেনকে ঋণ হিসেবে ২.৮ বিলিয়ন ডলার (২.৬ বিলিয়ন পাউন্ড) দিচ্ছে যুক্তরাজ্য।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সময় শনিবার (১ মার্চ) লন্ডনের ১০, ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে জেলেনস্কি এবং স্টার্মারের বৈঠক হয়। খবর কিয়েভ ইনডিপেন্ডেন্টের।
বৈঠকে জব্দ করা রাশিয়ার সম্পদ থেকে ইউক্রেনকে এ অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে ইউক্রেনের সঙ্গে ২.৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ওই ঋণের নথিতে স্বাক্ষর করে ব্রিটেন প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘুরে দাাঁড়ানোর পর এবার যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় পাশে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এ ঋণ অবদান রাখবে বলে জানান ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রী সের্হি মার্চেনকো।
তিনি বলেন, ইউক্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হবে।
উল্লেখ্য, জি-৭ জোটের দেশগুলো ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক বৈঠকে একমত হয় যে, ইউক্রেনকে তারা ৫০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়ে ঋণের সিংহভাগ অবদান রাখবে। ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলির সমন্বিত ভাবে ১৯.৪ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা। অবশিষ্ট আনুমানিক ১০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে কানাডা ৩.৭ বিলিয়ন, জাপান ৩.৭ বিলিয়ন এবং ব্রিটেন ২.৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার কথা ইউক্রেনকে।
ইউক্রেন এর মধ্যে থেকে আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ বিলিয়ন ডলার এবং ইইউ থেকে ৩.১ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে পশ্চিমা দেশগুলি রাশিয়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করেছে, যা থেকে বার্ষিক আয় হচ্ছে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার।এর মুনাফা থেকে কিয়েভকে ৫০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রাশিয়ার সম্পদের সিংহভাগ জব্দ করা হয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলিতে।
২৮ ফেব্রুয়ারি জেলেনস্কি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হোয়াইট হাউসে উত্তপ্ত বিনিময়ের পর জেলেনস্কি লন্ডন সফর আসেন।
জেলেনস্কির সঙ্গে একটি যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে স্টারমার সাংবাদিকদের বলেন, যত সময়ই লাগুক আমরা ইউক্রেনের সঙ্গে আছি, যুক্তরাজ্যের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে কিয়েভের পক্ষে।














