পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খানের গ্রেপ্তারের পর পুরো পাকিস্তান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী ইসলামাবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ পেশোয়ারে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
এরই মধ্যে ইসলামাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীতে বিক্ষোভে পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন এবং আইনভঙ্গ করার দায়ে ৪৩ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া পেশোয়ার, মুলতান ও কোয়েটায় অগ্নিসংযোগ করেছে আন্দোলনকারীরা।
হায়দরাবাদে নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে সবাই নেমে আসে রাস্তায়। এ সময় রাস্তার মাঝে আগুন ধরানো হয়। করাচির প্রধান সড়ক শরিয়া ফয়সাল ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। এখনও রাস্তা থেকে ব্যারিকেড সরানো হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
করাচির রেডলাইন বাস সার্ভিসেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ক্যান্টনমেন্টগুলোতেও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিক্ষুব্ধদের ওপর চড়াও হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে আদালতে হাজিরা দিতে গেলে সহিংস উপায়ে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী পাকিস্তান রেঞ্জার্স। এরপরেই পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইমরানকে গ্রেপ্তার করে শাসকগোষ্ঠী রেডলাইন অতিক্রম করেছে। দলের পক্ষ থেকে সমর্থকদের রাস্তায় বেরিয়ে আসতে বলা হয়।
পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ মেহমুদ কোরেশিও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ডাক দেন।
এরপরেই মূলত পিটিআই কর্মী ও ইমরানের সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে আসেন।














