- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

এপ্রিলের শেষে হবে উপজেলা নির্বাচন: ইসি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কবে হবে সে বিষয়ে কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

তিনি বলেছেন, যেহেতু সামনে এসএসসি পরীক্ষা আছে, এর পরপরই রোজা শুরু হবে। রোজার মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। ঈদের পরপরই যাতে নির্বাচন হয়, আমরা সেইভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ৩১ মে’র মধ্যে ধাপে ধাপে এই নির্বাচন শেষ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ইসি মো. আলমগীর আরও বলেন, মনোনয়ন তোলা, জমা এগুলো হয়তো রোজার শেষের দিকে হবে। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণা, নির্বাচন ঈদের পরে হবে। উপজেলা নির্বাচন ইভিএমে হতে পারে আবার ব্যালটেও হতে পারে বা ব্যালট ও ইভিএমে মিক্সডও হতে পারে। এ ব্যাপারে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ ইভিএম কী পরিমাণ ব্যবহারযোগ্য, সেই হিসাবটা আমরা এখনো পাইনি। হিসাবটা পেলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

আরও পড়ুন  ওসমান হাদীর মরদেহ এখন ঢাকায়

তিনি বলেন, নির্বাচনে সহিংসতা কেন হয় তা গবেষণার বিষয়। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচনের কর্মকর্তারা থাকবেন, যাতে কোনো সহিংসতা না হয়। সবার সহযোগিতায় জাতীয় নির্বাচনে সহিংসতা হয়নি। জাতীয় নির্বাচন যেহেতু আমরা শান্তিপূর্ণভাবে করতে পেরেছি, আমরা আশা করি যেহেতু এটা কয়েকটা ধাপে হবে, সেখানে আমাদের নির্বাচনটা আরও সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে।

সংসদ নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করেনি, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তাদের প্রতি আপনারা আহ্বান জানাবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আহ্বান থাকবে সব রাজনৈতিক দলের যারা আছেন, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। কারণ আমরা সংসদ নির্বাচন যেমন নিরপেক্ষভাবে সুষ্ঠু, সুন্দর করার চেষ্টা করেছি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একইভাবে সুষ্ঠু করার চেষ্টা করব। যেহেতু এটা কয়েকটা ধাপে হবে, সেখানে আমাদের কনসেন্ট্রেশনটা আরও বেশি থাকবে। সেগুলো আরও সুষ্ঠু হবে বলে আমরা আশা করি।

আরও পড়ুন  ছাত্রদলের নিখোঁজ ৬ নেতা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

ক্ষমতাসীন দল দলীয় প্রতীক না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি মনে করে তারা দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন দেবে না। সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো মন্তব্য নেই। এ নিয়ে কোনো সমস্যাও নেই। রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া যায়। কোনো রাজনৈতিক দল দলীয় প্রতীক না দিলে সে ক্ষেত্রে তারা স্বতন্ত্রদের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন করবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার ২৫০ জন ভোটারের সমর্থন রয়েছে এমন প্রমাণ জমা দিতে হবে। আর যদি কেউ এর আগে উপজেলা চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়ে থাকেন। তাহলে তাঁদের ভোটারের সমর্থনযুক্ত তালিকা জমা দিতে হবে না।

আরও পড়ুন  পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু: হাঁস মুরগি না খাওয়ার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে দলীয় প্রতীক থাকলেও যে অবস্থা, না থাকলেও একই অবস্থা। নির্বাচন কমিশনের জন্য এটি আলাদা কোনো দায়দায়িত্ব নেই।