ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়েকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা এখনও রহস্যাবৃত

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

কক্সবাজারে মা-মেয়েকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা এখনও রহস্যাবৃত। হত্যাকাণ্ডের কারণ বলতে পারছে না কেউ। পুলিশও কাউকে আটক করতে পারেনি। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর এলাকা শোকে স্তব্ধ।

বাড়িতে লুটপাট চালাতে গিয়ে কক্সবাজারে কুতুবদিয়ার আলী আকবরডেইল ইউনিয়নে মা ও মেয়েকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি।

তবে কারা, কি কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে আলী আকবরডেইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, মা-মেয়েকে যে ঘরে হত্যা করা হয়েছে, সেই ঘরের আলমারি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাসায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার জন্য দুর্বৃত্তরা চুরি করতে যায়। এ সময় বাধা দিলে মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন  'অনন্যা' থেকে চোরাই মোটরসাইকেল রামুতে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

এর আগে বেলা ২টার দিকে ওই ইউনিয়নের শান্তি বাজার এলাকায় স্থানীয় নুর আক্তার সওদাগরের স্ত্রী রুনা আক্তার (৩৫) ও মেয়ে জারিয়া আক্তারকে (৬) গলাকেটে হত্যা করা হয়।

পরে তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

ঘটনার বর্ণনায় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিকদার বলছেন, নুর শান্তি বাজারে একটি দোকান চালান। দুপুরে মাছ কিনে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার পর জুমার নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে বড় ছেলেকে দোকানের চাবির জন্য বাড়িতে পাঠায়।

আরও পড়ুন  আহত হয়েও দলীয় কর্মসূচিতে আ জ ম নাছির, প্রশংসার চোখে দেখছেন নেতা-কর্মীরা

ছেলে গিয়ে অনেক ডাকাডাকির পর কারও কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশিদের জানায় এবং তাদের নিয়ে বাসায় ঢোকে। তখন মা-মেয়েকে বাসার ফ্লোরে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালায়।

এদিকে লাশ উদ্ধারের পর কুতুবদিয়া থানার ওসি মো. আরমান হোসেন বলেন, নিহতদের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জুমার নামাজের সময় সন্ত্রাসীরা মা ও মেয়েকে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ১৮ বছরের নিচে কেউ গাড়ি চালালে জেল সাথে ডাম্পিং হবে গাড়ি

তবে কারা, কি কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে এ মূহুর্তে বলা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে সিআইডির দল কাজ করছেন।

ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান।

জুমার নামাজ পড়ার জন্য ভাইকে পাঞ্জাবি এনে দেয় ৬ বছরের শিশু জারিয়া। নামাজ শেষে সেই বোন এবং মা রুবি আকতারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পান।

স্বজনদের দাবি, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ দেখেননি কখনও। অন্য কোন শক্রও নেই। ফলে হত্যাকাণ্ড এখনও রহস্যে ঘেরা।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় এখনও ধরা পড়েনি কেউ।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ