কানাডার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত কানাডার প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করেছে। কানাডার একটি কমিশন রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, বিভিন্ন বিদেশি সরকার, যার মধ্যে ভারতও অন্তর্ভুক্ত, টরন্টোর নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং কানাডাকে তার অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জন্য তীব্র সমালোচনা করেছে।
এমইএ-এর মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, আসলে কানাডাই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোতে ধারাবাহিকভাবে হস্তক্ষেপ করছে এবং অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করছে।
এছাড়া, ভারত এই অভিযোগগুলি খারিজ করেছে এবং উল্লেখ করেছে যে, অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করার জন্য যে কোনও ব্যবস্থা সহ্য করা হবে না।
কানাডার সংবাদপত্র দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল এ দাবি করেছে যে, নয়াদিল্লি নির্বাচনী প্রার্থীদের গোপনভাবে “আর্থিক সহায়তা” প্রদান করতে এজেন্ট ব্যবহার করেছিল। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিচারপতি মেরি-জোসে হোগুকে একটি কমিশন পরিচালনার জন্য নিয়োগ করেছিলেন, যা বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়টি, বিশেষ করে চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশগুলির দিক থেকে অনুসন্ধান করবে।
এছাড়া, কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংসদীয় কমিটি ২০২৩ সালের জুনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে, কিছু সংসদ সদস্য বিদেশি হস্তক্ষেপে জড়িত।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারত কানাডার নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপে দ্বিতীয় সবচেয়ে সক্রিয় দেশ। চীন প্রজাতন্ত্রের মতো, ভারতও বৈশ্বিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদিও কানাডা এবং ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সহযোগিতা রয়েছে, তবে এই সম্পর্কের মধ্যে চলমান চ্যালেঞ্জগুলিই ভারতের বিদেশি হস্তক্ষেপে জড়িত হওয়ার একটি কারণ।














