- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনে নৌকার মাঝি মহিউদ্দিন বাচ্চু

ডা. আফছারুল আমীনের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনের (ডবলমুরিং–হালিশহর–খুলশী) উপ–নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন নগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন বাচ্চু।

গতকাল সোমবার (৩ জুলাই) গণভবনে রাত সোয়া ৯টায় আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় চট্টগ্রাম–১০ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মহিউদ্দিন বাচ্চুকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সভা শেষে রাত সোয়া নয়টায় তিনি বলেন, মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে মহিউদ্দিন বাচ্চুকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বইমেলা থেকে বের করে দেওয়া হলো 'মুশতাক-তিশা' দম্পতিকে

মনোনয়ন বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে, চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট পেতে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন আওয়ামী লীগের নবীন-প্রবীণ ২৯ জন নেতাকর্মী। এর মধ্যে প্রয়াত সংসদ সদস্য আফছারুল আমীনের স্ত্রী, ছেলে এবং দুই ভাইসহ মূল দলের সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও ছিলেন।

চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে ডা. আফছারুল আমীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে পরপর তিনবার (২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সাল) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত ২ জুন মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ডা. আফছারুল আমিন ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হওয়ায় আগামী ৩০ জুলাই এই আসনের উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন  মহাখালীর সাততলা বস্তিতে আগুন

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার (৪ জুলাই), মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৬ জুলাই, ৭ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত আপিল করা যাবে, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১১ জুলাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ জুলাই এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৩ জুলাই।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা গেছে, আগামী ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপ–নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য ১৫৬টি ভোট কেন্দ্র ও ১২৫১টি বুথের সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভোট গ্রহণে দায়িত্ব পালন করবেন ৩ হাজার ৯০৯জন। কিন্তু প্রশিক্ষণ নেবেন অতিরিক্ত ৫ শতাংশসহ ৪ হাজার ১০৫ জন। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ চলবে ২১ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই। নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। ভোটকেন্দ্রে বসানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরা।

আরও পড়ুন  সংসদ ভবন এলাকায় ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত