- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপনির্বাচন: চলছে ভোট গ্রহন

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোট চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

১৯০টি কেন্দ্রের ১ হাজার ৪১৪টি কক্ষে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হচ্ছে। এই উপ-নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি ও জাতীয় পার্টি।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ। এছাড়া চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ, আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি- এনপিপির কামাল পাশা এবং একতারা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রমজান আলী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন  ঢাকার খিলগাঁওয়ে শিশু ধর্ষণ

সকাল ৮টায় নগরীর বহদ্দারহাট এখলাসুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ। এ সময় তিনি ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

নির্বাচনে মোট ১৯০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রে ১৭ জন করে আইন-শৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়া সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ১৬ জন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন  রামুতে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৬৫২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৬৩ হাজার ৫৪৩ জন ও নারী ভোটার দুই লাখ ৫৪ হাজার ১০৯ জন।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। কোনো ধরনের অভিযোগও আসেনি। নির্বাচনে পর্যাপ্ত পুলিশ, আনসার ও র‍্যাব মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি জুডিশিয়াল এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। আশা করি শান্তিপূর্ণ উপায়ে নির্বাচন শেষ হবে।

আরও পড়ুন  টেকনাফে বৃদ্ধার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। পরে আসন শূন্য ঘোষণার গেজেট ইসিতে এলে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করে কমিশন।