ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করল আমেরিকা

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করল আমেরিকা।

আমেরিকার স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চীন ও আমেরিকার প্রশাসনও এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে। এতে বিরল খনিজ ও প্রযুক্তি বিষয়ে কিছু ব্যাপারে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে বলে জানানো হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি বলছে, স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার বিকেলে এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের যেসব নিয়ম রয়েছে, সেগুলোর সাপেক্ষে পণ্যের রপ্তানি আবেদন পর্যালোচনা এবং অনুমোদন করবে চীন। পক্ষান্তরে বেইজিংয়ের ওপর আরোপিত বিদ্যমান বিধিনিষেধমূলক ব্যবস্থার একটি অংশ বাতিল করবে আমেরিকা।

তবে এ ব্যাপারে আর বিস্তারিত জানাননি ওই মুখপাত্র। এমন এক সময় এই বিবৃতি পাওয়া গেল, যার একদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বুধবার চীনের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি হয়েছে। পরে হোয়াইট হাউস থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জেনেভা চুক্তির অংশ হিসেবে এই চুক্তি করা হয়েছে বলে জানায় তারা।

আরও পড়ুন  আনার হত্যাকান্ড: ভারত যাচ্ছেন ডিবি প্রধানসহ ৩ অফিসার

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন ট্রেজারি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং চীনা ভাইস প্রেসিডেন্ট হে লাইফেংয়ের নেতৃত্বে উভয় পক্ষের বাণিজ্য আলোচনা দল লন্ডনে দুই দিনের উচ্চ-স্তরের আলোচনা করে। এই আলোচনার পর জেনেভা ঐকমত্য বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে তারা।

বিরল খনিজের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে ধীরগতির জন্য চীনকে দোষারোপ করে আসছে ওয়াশিংটন। এ ছাড়া মার্কিন প্রযুক্তি বিধিনিষেধ এবং স্টুডেন্ট ভিসা বাতিলের সমালোচনা করছে বেইজিং।

আরও পড়ুন  চাকসুর মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু, থাকছে ডোপ টেস্ট পরীক্ষা

তবে চীনের এই বিবৃতি সেই অবস্থা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন দ্য কনফারেন্স বোর্ড নামক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের চীন কেন্দ্রের সিনিয়র উপদেষ্টা আলফ্রেডো মন্টুফার-হেলু। তবে বিস্তারিত তথ্য না জানানোর কারণে কিছু ব্যাপার রয়েই গেছে বলে মত তাঁর।

তিনি বলেন, যেহেতু উভয় পক্ষই বিরল খনিজকে ভবিষ্যতের আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দর কষাকষির বিষয় হিসেবে দেখে, তাই এই পণ্যের বাণিজ্য সম্ভবত সীমাবদ্ধ থাকবে।

অনেক দেশের সঙ্গে আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি করছে না- সে কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, আমরা কয়েকটি দেশকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি। বলেছি অনেক ধন্যবাদ। তোমাকে ২৫, ৩৫ কিংবা ৪৫ শতাংশ (শুল্ক) দিতে হবে। এটাই বাণিজ্যচুক্তি করার সহজ উপায়।

আরও পড়ুন  জামায়াত-এনসিপি জোট কি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে!

চীনসহ একাধিক দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। অর্থাৎ যে দেশ আমেরিকা থেকে রপ্তানি হওয়া পণ্যে যত পরিমাণ শুল্ক চাপায় সমপরিমাণ শুল্ক সেই দেশ থেকে মার্কিন মুলুকে আমদানি হওয়া পণ্যে চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন। ৯ এপ্রিল থেকে তা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তার আগে হোয়াইট হাউস এই বর্ধিত শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করে দেয়।

কিন্তু স্থগিতাদেশ সব দেশের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হলেও ব্যতিক্রম ছিল চীন। পাল্টা চীনের পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন ট্রাম্প। চীনা পণ্যের ওপর শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়। পাল্টা চীন ১২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায় মার্কিন পণ্যে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ