ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে সক্রিয় ডাকাত দল। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সুযোগ বুঝে পথচারী ও মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহন আটকে সর্বস্ব লুটে নেয় চক্রটি।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নগরীর ফৌজদারহাট কালুশাহ মাজার সংলগ্ন মহাসড়কে ডাকাতির উদ্দ্যেশে অবস্থান নেয় সংঘবদ্ধ চক্রটি।
গোপনে এমন সংবাদ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতদলের ১০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব-৭। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- নুরে আলম ওরফে নুরু (২৬), মোঃ হায়দার আলী (২৬), রিমন মজুমদার (২২), মোঃ রবিউল ওরফে রুবেল (২৪), মোঃ মামুন (২২), মোঃ বাদশা (২৮), মোঃ শামীম (২৬), মোঃ রাকিব (২৬), মোঃ শাহাদৎ (২৫) মোর্শেদ খান ওরফে হৃদয় (২৪)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ডাকাত দলটি হাইওয়ে ডাকাতির সাথে জড়িত। এ দলের বেশিরভাগ সদস্যই চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি করার জন্য কালু শাহ মাজার সার্কেলের পাশে ন্যানো ফ্যাক্টরি কর্পোরেশনের কাছে অপেক্ষারত ছিল।
ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী সাধারন মানুষের চলাচলের স্থানে পথচারীকে আটক করে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদেরকে জিম্মি করে ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মূল্যবান জিনিসপত্র, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা-পয়সা ছিনতাই ও ডাকাতি করে থাকে বলে নিজ মুখে স্বীকার করেছে।
আজ শনিবার (৮ এপ্রিল) রাতে গনমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব। জানায়,
র্যাব জানায়, আটক ডাকাত দলের ৪ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন ধারায় ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।