চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় দুদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে বাসিন্দারা। বাসা-বাড়িতে কিংবা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) ফিলিং স্টেশনে নেই সরবরাহ।
মহেশখালীর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে সংস্কার কাজের কারণেই সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। তবে কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রামে ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মিলছে না গ্যাস। লালখান বাজার, জিইসি, বহদ্দারহাট, হালিশহরসহ নগরীর বেশিরভাগ এলাকাতেই গত রবিবার ভোর থেকে শুরু হয় এই সংকট। বাসা-বাড়িতে জ্বলছে না চুলা। রান্না করতে না পারায় দুর্ভোগে বাসিন্দারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, গ্যাসের সংকটের কারণে সময়মতো খাওয়া-দাওয়ায় সমস্যাসহ তাঁদের নানা কাজ ব্যাহত হচ্ছে। বিকেলে চুলায় সামান্য গ্যাস থাকলেও সন্ধ্যায় থাকে না একদম।
সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় যানবাহন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকতে হচ্ছে অপেক্ষায়।
অপেক্ষমান এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, তিনি কোনও পাম্প থেকেই গ্যাস পাচ্ছেন না।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আব্দুর রহমান বলেন, গত দুই দিন ধরে একদম গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) অপারেশন মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আমিনুর রহমান বলেন, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে সংস্কার কাজ চলায় গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। সমাধানে কাজ চলছে, তবে কখন স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না।














