ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেল ভুমজাইথাই পার্টি

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের দল ভুমজাইথাই পার্টি। ভোটাররা সংবিধান পরিবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষেও মত দিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পরই জোট সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রবিবারের (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে ইতোমধ্যেই ৯৪ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভুমজাইথাই পার্টি সংসদের ৫০০ আসনের মধ্যে ১৯২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। দলটি তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। পিপলস পার্টি পেয়েছে ১১৭টি আসন। ভোটের আগে দলটির এগিয়ে থাকার কথা বলা হচ্ছিল। সাবেক শাসক দল ফিউ থাই পার্টি রয়েছে তৃতীয় স্থানে, তাদের প্রাপ্ত আসন ৭৪টি।

আরও পড়ুন  জিয়া পাঁচ হাজার মানুষকে নির্বিচারে ফাঁসি দিয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী

এ ছাড়া আরও কয়েকটি ছোট দল মিলিয়ে ১১৭টি আসন পেয়েছে। তবে থাইল্যান্ডের আনুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থার কারণে দলীয় তালিকা থেকে প্রাপ্ত আসনের চূড়ান্ত হিসাব কিছুটা বদলাতে পারে।

ভুমজাইথাই পার্টি মোট ভোটের ৩০ দশমিক ২ শতাংশ পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক জাতীয়তাবাদী আবেগকে কাজে লাগিয়ে দলটি রক্ষণশীল ভোটারদের একত্রিত করতে পেরেছে। এতে করে বিলিয়নিয়ার সিনাওয়াত্রা পরিবারের সঙ্গে যুক্ত ফিউ থাই পার্টির কাছ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন ছিনিয়ে নিয়েছে ভুমজাইথাই পার্টি।

জোট সরকার গঠন ও মন্ত্রিসভা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রতিটি দল নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। তিনি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পুনরায় ক্ষমতায় এলে অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রীদের তিনি আগের পদেই রাখতে চান।

আরও পড়ুন  আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি 'বাচ্চু মিয়া'

১০০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে অনুতিন নির্বাচনের ঘোষণা দেন। কম্বোডিয়ার সঙ্গে তিন সপ্তাহের সীমান্ত উত্তেজনার পর তৈরি হওয়া জাতীয়তাবাদী আবহকে নির্বাচনি প্রচারে কাজে লাগান তিনি। নির্বাচনের ফলকে তিনি ‘সব থাই জনগণের বিজয়’ বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে বামপন্থি পিপলস পার্টি জানিয়েছে, তারা অনুতিনের নেতৃত্বাধীন কোনো জোটে যোগ দেবে না। দলটির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত বলেন, তারা বিকল্প কোনো জোট গঠনের চেষ্টাও করবে না।

আরও পড়ুন  আবারও ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জানুয়ারির শেষ দিকে করা জরিপগুলোতে পিপলস পার্টি ভুমজাইথাইয়ের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিল।

এ ছাড়া ভোটাররা সংবিধান পরিবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষেও মত দিয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

সমালোচকদের মতে, বর্তমান সংবিধান একটি অগণতান্ত্রিক সিনেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়েছে।

নতুন সংবিধান কার্যকর হতে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে। এ জন্য খসড়া প্রণয়নের পাশাপাশি আরও দুটি গণভোটের প্রয়োজন হবে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ