নেপালের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর এবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন সুশীলা কার্কি। ৭২ বছর বয়সী এই নারী শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাওডেলের কাছে শপথ নিয়ে নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি ভবন শীতল নিবাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নেপালের নবনিযুক্ত এই প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক শুভেচ্ছা বার্তায় এ অভিনন্দন জানান। এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে নেপালে সংঘটিত রাজনৈতিক ঘটনাবলিতে প্রাণহানির জন্য শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও নেপালের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনাকে নিয়োগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময়ে আপনার এই উচ্চ পদে দায়িত্ব গ্রহণ নেপালের জনগণের আপনাদের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে আমরা নিশ্চিত যে, আপনার দক্ষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় নেপাল ও এর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জনগণ শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে যেতে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমি মাননীয়ার সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি, যাতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়। এই সুযোগে নেপালে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলীতে প্রাণহানির জন্য আন্তরিক শোক প্রকাশ করছি। নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ আরোগ্য কামনা করছি। মাননীয়া, আপনার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য এবং নেপালের জনগণের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।