ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

‘পুশইন’ ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করতে চান না শুভেন্দু

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

ভারতের দিক থেকে যা ‘পুশব্যাক’ বাংলাদেশের দিকে তা ‘পুশইন’। বর্তমানে এই ইস্যুতে সরগরম বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত রাজনীতি। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সদ্য শেষ হওয়া ৫৭তম বিজিবি-বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকেও এ ব্যাপারে কোনো সমাধান আসেনি। এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি কোনো উত্তর দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) কলকাতার কাছে নিউটাউনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু। এ সময় পুশইন নিয়ে ভারতীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তার স্পষ্ট জবাব, এ ব্যাপারে আমি কোনো উত্তর দেব না।

ভারতের পুশইনের প্রতিবাদে ১২ ও ১৫ জুন দেশব্যাপী নতুন রাজপথের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এ ছাড়া ১৪ জুন বাংলাদেশের সংসদে এই ইস্যুতে প্রস্তাব আনতে পারে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজা প্রস্তাব পাস

এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একটি বাইরের দেশের সংসদে কোন বিষয় উত্থাপন করবেন, এটি আপনার মুখ থেকে শুনছি। এ ব্যাপারে আমি কোনো উত্তর দেব না। যদি আনে তবে তার জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ সীমান্ত শুধু পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে নয়, পাঁচটা রাজ্যের সঙ্গে রয়েছে। এ ব্যাপারে দায়িত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ হচ্ছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যদি প্রয়োজন হয় তারা মন্তব্য করবেন।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরানের সঙ্গে বাংলাদেশের উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার যে অভিযোগ উঠেছে বা বাংলাদেশের নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল করে তোলার পেছনেও হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে লোকসভার বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ সদস্য কাকলি ঘোষ দস্তিদার উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপে ৬৪ দলের খেলার সম্ভাবনা যাচাইয়ে মাঠে নামছে ফিফা

এ বিষয়ে শুভেন্দু বলেন, উনি (কাকলি ঘোষ দস্তিদার) চিঠি লিখেছিলেন কি না, আমার জানা নেই। তবে এই ধরনের অবৈধ কাজকর্ম যে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে হতো, সেটা আমরা জানি। বহুবার বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমরা এটা বলেছি। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য ছাড়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার বলাটা ঠিক হবে না। যেহেতু চিঠিটা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গেছে, কেন্দ্রীয় সরকারের তদন্তকারী সংস্থা রয়েছে তারা বিষয়টি দেখবে। তারা যদি কোনো প্রকার সহায়তা চায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে।

আরও পড়ুন  ফটিকছড়িতে সরকারি দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি

সীমান্ত সুরক্ষিত করতে বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা ১০০ কিলোমিটারের মতো জমি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করেছি। উত্তরবঙ্গের চিকেন নেকের মতো কিছু জায়গা আছে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হচ্ছে। আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করব। কারণ, এটা দেশের সুরক্ষার বিষয়।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ