সারা দেশে যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ ও পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২ এপ্রিল) এ আদেশ দেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ। তারা পাবলিক প্লেসে ধূমপান, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ ও থুতু, কফ ফেলা বন্ধে আইন অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।
গত ১১ মার্চ পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধ ও যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধ ও যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ বন্ধে প্রচলিত পুলিশ অধ্যাদেশ আইন বাস্তবায়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এছাড়া সার্বজনীন থুথু ও কফ ফেলা বিরোধী আইন এবং কোড প্রণয়ন করার আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।
জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া। স্বাস্থ্য সচিব, স্থানীয় সরকারসচিব, দেশের সব সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়।
এর আগে পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধ ও যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশে বলা হয়, ‘জনসম্মুখে থুথু ফেলা ও যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ করা সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতের কিছু অংশে থুথু ফেলা নিয়ে জরিমানার বিধান রয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয় বাংলাদেশে সার্বজনীনভাবে এ ধরনের কোনো আইন নেই। সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বাস্তবধর্মী উদ্যোগ নেই। বিষটির গুরুত্ব অনুধাবন করে সার্বজনীন থুথু ও কফ ফেলাবিরোধী আইন ও কোড প্রণয়ন করার জন্য আবেদন করছি। প্রচলিত পুলিশ অধ্যাদেশ আইন অনুসারে সর্বস্তরে ধূমপান, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ ও থুথু ফেলার শাস্তি কার্যকর করার অনুরোধ করছি।
নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করে ওই আইনজীবী।












