ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

প্রাণ রক্ষার আকুতি, অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

জ্বালানির অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এতে অন্ধকারী পতিত হয়েছে বিদ্যুৎবিহীন গাজাবাসী। সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় গাজাবাসীদের বিদ্যুতের জন্য জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হবে। যদিও সেটাও সম্ভব হবে না, কারণ গাজায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, খাদ্য, পণ্য ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল।

গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বড় ধরনের ‘মানবিক বিপর্যয়’ নেমে আসবে। এখানে প্রায় ২৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। ইতিমধ্যে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে ‘সব ধরনের পণ্য সরবরাহ ও সেবা’ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

আরও পড়ুন  চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তথ্য দিন: সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা

গাজা পাওয়ার কর্তৃপক্ষের প্রধান গালাল ইসমাইল জানিয়েছেন, গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্র জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার পর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। গাজা বর্তমানে বিদ্যুৎহীন।

বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে সমস্যায় পড়বে হাসপাতালগুলো। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা হয়তো আর দুই-চারদিন কাজ চালাতে পারবেন। এরপর সব শেষ হয়ে যাবে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, গাজাকে কয়েক শতাব্দী পেছনে মধ্যযুগীয় যুগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় বিশ্বের কাছে প্রাণ রক্ষার আকুতি জানিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন  ‘বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের’ উদ্বোধন আজ

হামাসের হামলার পর গত রবিবার থেকে গাজার ওপর ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ আরোপ করে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্ট ঘোষণা দেন, গাজায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি খাদ্য বা জ্বালানি কোনোও কিছুই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

অঞ্চলটির বাসিন্দাদের প্রায় ৮০ শতাংশ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভর করে। তাদের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রতিদিনকার খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। দুই গোষ্ঠীর যুদ্ধে উপত্যকাকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে ফেলায় চরম মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে সেখানে।

আরও পড়ুন  যমুনা ত্যাগ করলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ