ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ফটিকছড়ি থানার এসআই নাজমুল।
নিহত সাদিয়ার বাড়ী উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নের শোভনছড়ি গ্রামের কেরাছড়িতে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এ বছরের ১ জানুয়ারী একই ইউনিয়নের শোভনছড়ি গ্রামের পেয়ার তালুকদার বাড়ীর মাইক্রোবাস চালক মো. বেলাল উদ্দীনকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সাদিয়া। পরে তারা ফটিকছড়ি পৌরসভার ওই বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। বিয়ের পর থেকে নানা বিষয়ে দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। আজ ঘটনার দিনও নিহত সাদিয়ার মা মেয়েকে দেখতে আসেন। বিকালে তিনি চলে গেলে ঘরে বাজার করা নিয়েও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির আওয়াজ শুনতে পায় স্থানীয়রা।
সন্ধ্যার দিকে জানলার গ্রীলে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সাদিয়ার লাশ দেখতে পায় প্রতিবেশিরা। ঘটনার সময় স্বামী বেলাল উদ্দীন বাসায় ছিলেন না বলে জানালেও নিহতের ভাই মো. সবুজ তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেন। সাদিয়াকে হত্যা করে জানালার গ্রীলের সাথে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছে এমনটাই দাবি পরিবারের।
এসআই নাজমুল বলেন, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছি। পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।