পুলিশ নিহতের ঘটনার খবরের ফেসবুক লিঙ্কে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ মন্তব্য করে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মো. আবদুল্লাহ গ্রেপ্তার হয়েছেন।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজেস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার সেন্টারের দল সিরাজগঞ্জের ধানগড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। রাতেই ঢাকায় নেওয়া হয় তাকে।
গ্রেপ্তারকৃত আবদুল্লাহ রায়গঞ্জের মাস্তুরা হাফিজিয়া কাউনিয়া মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। তিনি রায়গঞ্জের চান্দাইকোনার বেড়াবাজুয়া মসজিদের ইমামতিও করতেন। তার বাড়ি উল্লাপাড়ার বড়হর ইউনিয়নের ড্যাফলবাড়ি গ্রামে।
দৈনিক পত্রিকার ফেসবুক পেজে সংবাদ লিঙ্কের মন্তব্যের ঘরে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ লেখায় রাজধানীর পল্টন থানায় তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার মামলা হয়। সাইবার পুলিশ সেন্টারের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরে মামলাটি করা হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে রাতেই তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নেয় সিআইডি পুলিশ।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ ইমরান জানান, তিনজন পুলিশ সদস্যের মর্মান্তিকভাবে নিহত হওয়ার ঘটনায় সংবাদপত্রের ফেসবুক পেজে ‘নেতিবাচক মন্তব্য’ করেন মো. আব্দুল্লাহ। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টিসহ অপরাধ সংগঠিত করেন তিনি। এজন্য তার বিরুদ্ধে অবশেষে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিয়েছে সিআইডি পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আবদুল্লাহ মূলত কওমি ও হেফাজত ইসলামপন্থী মতাদর্শে পরিচালিত একটি মাদরাসার অধ্যক্ষ। বেড়াবাজুয়া মসজিদের ইমামও তিনি। তিন ছেলেমেয়ে-স্ত্রী নিয়ে রায়গঞ্জের থানগড়ার তালতলায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।