স্থানীয় সময় গতকাল রবিবার (৯ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইন জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ এখনো নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। বিস্ফোরণের পরপরই ভবনটি ধসে পড়ে। তারও কয়েক ঘণ্টা পর পার্শ্ববর্তী এক আবাসিক ভবনের একটি ব্লক ধসে পড়ে।
শহরটির মেয়র বেনোইট পায়ান বলেছেন, নিখোঁজ ব্যক্তিরা সম্ভবত মারা গেছেন। ঘটনার পর আশপাশের ভবনগুলো থেকে অন্তত দুইশ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিস্ফোরণের পর সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে নিতে শতাধিক ফায়ার সার্ভিস কর্মী চেষ্টা চালান। কিন্তু গতকাল দিনের বেশিরভাগ সময় আগুন জ্বলে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছিল, আগুন আরও কয়েক ঘণ্টা জ্বলতে পারে। যদিও গতকাল রাতের দিকে আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
অন্যদিকে শহরের প্রসিকিউটররা বলছেন, আগুনের কারণে অনুসন্ধান অভিযান ব্যাহত হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে এক তরুণ দম্পতি ও নির্দিষ্ট বয়সের ব্যক্তিরা রয়েছেন। তীব্র তাপ ও ধুলাবালির কারণে অনুসন্ধানে ব্যবহৃত কুকুর ধসে যাওয়া ভবনের ভেতরে ঢুকতে পারেনি।
মেয়র পায়ান বলেন, যে কোনো সংবাদের জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আর গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নিখোঁজ ব্যক্তিরা জীবিত, না মারা গেছেন—তা তিনি জানেন না।
এদিকে স্থানীয় প্রসিকিউটর ডমিনিক লওরেন সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন, নিখোঁজ আট ব্যক্তির মোবাইলে ফোন দেওয়া হলেও কেউই ফোন ধরছেন না। এখন পর্যন্ত এই ভবন ধসের কারণ জানা সম্ভব হয়নি।