গাজার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় দিনের আগের সন্ধ্যা থেকে শুরু করে আজ সকাল পর্যন্ত ইসরায়েলি বিমানহামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭৮ ফিলিস্তিনি।
প্রায় ১১ সপ্তাহ ধরে গাজায় নির্বিচার হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। আজ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিনেও থামেনি তাদের এই আগ্রাসন।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
মধ্যরাতের ঠিক আগ থেকে ইসরায়েলের হামলার তীব্রতা বেড়ে যায়। এই হামলা বড়দিনের সকাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আজ সোমবার গাজার কেন্দ্রে আল-বুরেইজ অঞ্চলে স্থল ও বিমানহামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরায়েল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কিদরা জানান, গাজার কেন্দ্রে অবস্থিত মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমানহামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নারী ও শিশু।
আল জাজিরা জানিয়েছে, কয়েক ডজন মরদেহ ‘আল-আকসার শহীদদের’ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা মাঘাজির হামলার ঘটনাটির প্রতিবেদনটি যাচাই করছে এবং তারা বেসামরিক ব্যক্তিদের দুর্দশা কমাতে বদ্ধপরিকর।
ইসরায়েলের দাবি, জনবহুল এলাকায় বেসামরিক ব্যক্তিদের মাঝে লুকিয়ে থেকে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের যোদ্ধারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ ছাড়া, বেসামরিক মানুষদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তরের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।
সংস্থাটি জানায়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজার কেন্দ্রের মূল সড়কগুলোতে নির্বিচার বোমা হামলা চালাচ্ছে। যার ফলে অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি পরিবহনের চলাফেরা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
চিকিৎসাকর্মীরা জানান, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে পৃথক এক বিমানহামলায় আট ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।














