- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

বিদ্যমান আইনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইইউ প্রতিনিধিদলকে আইনসচিব

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিদ্যমান আইনি কাঠামো যথেষ্ট বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছেন আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার।

বুধবার (১২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে আইনসচিবের সঙ্গে দেখা করে ইইউ প্রতিনিধিদল। পরে বৈঠকের বিষয়বস্তুু সাংবাদিকদের জানান সচিব। তবে ইইউ প্রতিনিধিদল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেনি।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব গোলাম সারওয়ার বলেন, ইইউ প্রতিনিধিদল জানতে চেয়েছে, আইনি কাঠামো যেটি আছে, তা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট কি না। আমরা বলেছি যে আইনি কাঠামো যা আছে, তা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট।

আরও পড়ুন  পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন: সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

এসময় আরপিওর কয়েকটি ধারার কথা তুলে ধরে সচিব বলেন, তারা সন্তুষ্ট হয়েছে।

আইনসচিব গোলাম সারওয়ার আরও বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনার নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে আইন করা হয়েছে, তা উপমহাদেশে আর নেই। নির্বাচন কমিশনার বাছাই করার জন্য অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি।

এছাড়া সদস্য হিসেবে ছিলেন-হাইকোর্টের একজন বিচারপতি, মহা হিসাব নিরীক্ষক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সুশীল সমাজের দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। সচিব বলেন, প্রতিনিধিরা এ তথ্যে সন্তুষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  কলম্বিয়ায় নির্বাচনী সভায় প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে গুলি, কিশোর আটক

নির্বাচনের সময় জুডিশিয়াল সার্ভিসের বিচারক ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করার প্রসঙ্গে তুলে ধরে সচিব বলেন, যখন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়, তখন একজন যুগ্ম জেলা জজের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তফসিলের দিন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত কমিটি দায়িত্ব পালন করে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন নিয়ে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম বা এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা (কমিটি) প্রতিবেদন তৈরি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে দেয়।

আরও পড়ুন  ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা

তখন সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন বিচারিক কর্মকর্তার জন্য চাহিদা দিলে সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শ নিয়ে বিচারিক কর্মকর্তাদের নির্বাচন কমিশনে ন্যস্ত করা হয় বলে জানান সচিব।

তিনি বলেন, তখন তারা সবকিছুই করেন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে। বিচারিক কর্মকর্তা ভোট গ্রহণের দিন এবং আগের দুই দিন ও পরের দুই দিন মিলিয়ে মোট পাঁচ দিন দায়িত্ব পালন করেন। তখন তারা সামারি ট্রায়াল করে আরপিও অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এটিও তারা (ইইউ) অ্যাপ্রিশিয়েট করেছে।