বোয়ালখালীতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের মুখে বিধান রায়ের বাসাসহ ৭টি বাসায় ডাকাতি করেছে ডাকাতরা।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড শাহ আমানত ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছহাব উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় ডাকাতের দল ৭টি বাসা থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল, ৪ ভরি স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এতে সাত পরিবারের প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে জানান ভাড়াটিয়ারা।
প্রথমে পুলিশ পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলেন ডাকাতরা। পরে জানালা দিয়ে গুলি দেখাতে আমি দরজা খুলেছি। তারা ছিল চারজন। ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে ডাকাতরা আমার হাত মুখ বেঁধে ঘরের আলমিরা খুলে তছনছ করে ফেলেছে। বাঁধা দেয়ায় আমাকে থাপ্পর, কিল, ঘুষি দিতে থাকে ডাকাতরা। ঠিক এমনটাই জানালেন ভুক্তভোগী বিধান রায়।
ভবন মালিক মো. ছাবের বলেন, ডাকাতরা প্রথমে বিধান রায়ের বাসায় গিয়ে তাঁকে পুলিশ পরিচয়ে জিম্মি করে আমাকে বাসা থেকে বের করে আনেন। পরে আমাকে জিম্মি করে অন্যান্য বাসার মানুষদের ডেকে বের করতে বলেন।
ভবনের ভাড়াটিয়া ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দীন জাহেদ বলেন, বাসার জমিদার আমাকে দরজা খুলতে বললে আমি বাসার দরজা খুলে দেখতে পাই জমিদারের সাথে চারজন ডাকাত দাঁড়িয়ে আছে। দরজা খোলার সাথে সাথে তিনজন ডাকাত পুলিশ পরিচয়ে আমার বাসায় ঢুকে আমার স্ত্রীর চার ভরি স্বর্ণ ও কয়েকটি স্মার্ট মোবাইল নিয়ে যায়।
বাসার অন্য এক ভাড়াটিয়া আহমদ আলী বলেন, আমার বাসায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে আমাকে বলে আমরা প্রশাসনের লোক। এই বলে আমার বাসায় তল্লাশি করতে থাকে। এসময় আমার স্ত্রীর কানে থাকা কানের দুলসহ কয়েকটি মোবাইল নিয়ে যায়।
পরে শাহ আমানত ভবনের মালিক ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ঘটনাস্থলে বোয়ালখালী থানা পুলিশ গিয়ে পরিদর্শন করে আসে বলে জানান ভবন মালিক।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছহাব উদ্দীন বলেন, ডাকাতির ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ডাকাতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান।