- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করল সরকার

দেশের কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় সোমবার সকাল থেকে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে হাহাকার বিরাজ করছে। এমনি এ বছর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পেয়াজ নিয়ে বিপদে আছেন।

তবে এরই মধ্যে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এমন আইপিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করা যাবে।

আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে দেশের বাজারে আবারও বাড়তে পারে পেঁয়াজের দাম।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে খুলে পড়ে গেল চাকা, ৭১ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিমান

তবে কৃষি বিভাগ বলছে, দেশীয় নতুন পেঁয়াজ প্রচুর এসেছে বাজারে। ফলে এই মুহূর্তে আমদানি বন্ধ হলেও দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

এ বিষয়ে সোমবার রাতে হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সহ-সভাপতি মেসার্স রায়হান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, আমদানি অনুমতি বন্ধের ফলে সোমবার থেকেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। আগের দিন যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৬ থেকে ৫৩ টাকায়, সোমবার তা বিক্রি হয়েছে ৫৪ থেকে ৬২ টাকায়।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে গলা কেটে হত্যার হুমকি

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন বলেন, আমদানি বন্ধের ফলে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যেতে পারে। কেননা, আজ দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে।

সোমবার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ (নতুন) ৫৮ থেকে ৬০ টাকা আর পুরাতন ৬৩ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে পূজা কমিটির নেতাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

লি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলে বেশ কিছুদিন ধরেই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। সোমবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে এসব পেঁয়াজ পূর্বের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আমদানি করা।