- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

ভারতে সেনা ঘাঁটিতে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত ৪

ভারতীয় সীমান্ত রাজ্য পাঞ্জাবের সেনা ঘাঁটির ভেতরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১২ এপ্রিল) ভোরে গোলাগুলির ঘটনায়’ চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী বলেছে, গোলাগুলির ঘটনায় অনুসন্ধান অভিযান চলমান রয়েছে।

বিষয়টির সংবেদনশীলতার উল্লেখ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি প্রতিরক্ষা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অজানা সংখ্যক বন্দুকধারী বাথিন্দা শহরের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার ভোরে অজানা বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় চার ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে।

এই ঘটনার জন্য কে দায়ী সে সম্পর্কে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

আরও পড়ুন  আরেকবার ক্ষমতায় থাকার সুযোগ চাইলেন শেখ হাসিনা

পাঞ্জাবের একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা এস পি এস পারমার রয়টার্সকে বলেছেন, ওই গোলাগুলির ঘটনা একটি ক্যান্টিনে ঘটেছে। তাই এটি ‘সন্ত্রাসী হামলা নয়।’

তিনি বলেছেন, ঘাঁটিটি সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় পুলিশ এবং সেনা কর্তৃপক্ষ একটি যৌথ তদন্ত করছে।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, অন্য কোন আঘাত বা সম্পত্তির ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই দিন আগে নিখোঁজ হওয়া ২৮ রাউন্ড গুলিসহ একটি (অ্যাসল্ট) রাইফেল ওই হামলায় ব্যবহারের সম্ভাবনাসহ সমস্ত দিক খুঁজে বের করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন  ডিবিতে যাওয়ার কারণ জানালেন মামুনুল হক

রয়টার্সের অংশীদার এএনআই নিউজ এজেন্সির ভিডিওচিত্রগুলোতে মিলিটারি স্টেশনের গেটের বাইরে রাস্তায় ব্যারিকেড এবং সীমানা প্রাচীরের বাইরে নিরাপত্তা কর্মীদের সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ভোর ৪ টায়।

রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই সামরিক স্টেশনটি এটি একটি আবাসিক সেনা ঘাঁটি এবং এখানে বেশিরভাগ সেনা পরিবার রয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে রাজ্য পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সীমান্তবর্তী সেনা ক্যাম্পে ঘটনাটি ‘সন্ত্রাসী’ হামলা বলে মনে হচ্ছে না।

আরও পড়ুন  ৪ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

গত মাস থেকে পাঞ্জাবও উপতপ্ত রয়েছে কারণ নয়াদিল্লি কর্তৃপক্ষ ফায়ারব্র্যান্ড শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রচারক অমৃতপাল সিংকে ধরতে একটি অভিযান শুরু করেছিল।

সিং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খালিস্তান নামে একটি পৃথক শিখ আবাসভূমি তৈরির দাবি করে একটি বিশাল অনুগামীদের সমাবেশ করেছেন।

হাজার হাজার পুলিশ কর্মকর্তা রাজ্যব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধ করে বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করে।

সূত্র- আলজাজিরা