ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে ভূমিখাতের দুর্নীতির মাত্রা ওয়ান ডিজিটে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২২ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরীর চট্রেশ্বরী সড়কে অবস্থিত তার বাসভবন ‘ডালিয়া কুঞ্জে’ আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ভূমি অফিসগুলোর সেবা কার্যক্রম ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। সরাসরি অর্থ লেনদেনবিহীন বা ক্যাশলেস পদ্ধতি কার্যকর হলে দুর্নীতি ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, অটোমেশন চালু হলে ভূমি মালিকদের রেকর্ড সংশোধন, নামজারি বা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের মতো সেবাগুলো পেতে আর সরাসরি অফিসে যেতে হবে না। নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
চট্টগ্রামের বর্তমান ভূমি সেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক অফিসেই এখনও প্রত্যাশিত মানের সেবা নিশ্চিত হয়নি। সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আধুনিক ই-সেবা চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে।
তিনি হাটহাজারী ভূমি অফিসের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সেখানে ইতোমধ্যে নগদ লেনদেন বন্ধ রয়েছে। একই ধরনের ব্যবস্থা সারাদেশে চালু করা গেলে ভূমি খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, দেশের মানুষ ভূমি ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন প্রত্যাশা করে। এ লক্ষ্যে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এসময় মীর হেলালের পিতা সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।














