ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

মানবজাতি ও মানবতাকে বাঁচাতে ‘যুদ্ধকে না’ বলুন: প্রধানমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবজাতি ও মানবতাকে বাঁচাতে হলে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সব ধরনের যুদ্ধ ও সংঘাতকে কঠোরভাবে ‘না’ বলতে হবে।

বুধবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে ‘জি-২০ লিডার্স সামিট ২০২৩’-এ বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, মানুষ ও মানবতাকে রক্ষায় সব ধরনের যুদ্ধ ও সংঘাতকে কঠোরভাবে ‘না’ বলুন। এই বিশ্বায়নের বিশ্বে এটা নিশ্চিতভাবেই সহজ।

বাংলাদেশ সরকারপ্রধান বলেন, এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘এক বিশ্ব, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’ আমাদের সবাইকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর আবাস হিসেবে পৃথিবীকে গড়ে তোলার প্রেরণা যোগাবে।

আরও পড়ুন  দেশের প্রতিটি বিভাগেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা বলেন, ইউরোপে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় নামিয়েছে এবং এই দুর্দশা চলছেই।

তিনি ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেড়মাস ধরে আমরা ফিলিস্তিনে নির্দয় গণহত্যা দেখছি, যেখানে এরই মধ্যে হাজার হাজার নারী-পুরুষ নিহত হয়েছেন এবং দুঃখজনকভাবে পাঁচ হাজারেরও নিষ্পাপ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড গোটা বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যা বিশ্বকে আরও বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ‘দ্য প্ল্যান': চট্টগ্রামে তরুণদের মুখোমুখি তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের সম্মেলনে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা এক হয়ে এই মুহূর্তে গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি তুলুন। একই সঙ্গে নির্মমতার শিকার ভুক্তভোগীদের কাছে যেন অবিলম্বে নির্বিঘ্নে মানবিক সহায়তা সরবরাহ হয়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে যে কোন সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। বাংলাদেশ এবং ভারত এর জন্য রোল মডেল বলে সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দুই দেশ জল এবং স্থল সীমানার দীর্ঘদিনের জটিলতা আলোচনার টেবিলে সমাধান করে তার প্রমাণ করেছে।

আরও পড়ুন  গাম্বিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ বিশ্বময় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, গাজায় হতাহতের পাশে যেমন দাঁড়াতে হবে তেমনি মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আসে মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের মাতৃভূমিতেও প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

শেখ হাসিনা জি-২০ প্রেসিডেন্সির সফল পরিচালনার জন্য নরেন্দ্র মোদি ও ভারতকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

গত সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলকে এগিয়ে নিতে আজকের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জি২০ নয়াদিল্লি নেতাদের ঘোষণা গ্লোবাল সাউথের প্রকৃত উদ্বেগ ও সমস্যাকে প্রতিফলিত করে।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ