ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে হওয়া শান্তি চুক্তির সম্ভাব্য ১৪ দফার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। তবে এসব শর্তের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ওয়াশিংটন বা তেহরান। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই দেশের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দেন।

পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গীকার, ৩০ দিনের মধ্যে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, ইরান থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের তেল ও জ্বালানি খাতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। পাশাপাশি ইরান আবারও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাশিয়ার ১২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

প্রস্তাবিত চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের পুনর্গঠনে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। একই সঙ্গে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা এবং অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও থাকবে। তবে ইরানের জব্দকৃত তহবিলের একটি অংশ মুক্ত করা, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নৌ অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সমঝোতা কার্যকর হবে না বলেও উল্লেখ করেছে মেহের নিউজ।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ভেনেজুয়েলায় একের পর এক বিস্ফোরণ

এদিকে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে টোলমুক্ত জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তার নতুন যুগের সূচনা করবে। তার দাবি, দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার পর তিনিই ইরানের সঙ্গে কার্যকর শান্তি প্রতিষ্ঠায় সফল হয়েছেন।

শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর ও হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের পর বৈশ্বিক তেল পরিবহন স্বাভাবিক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরও পড়ুন  ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সব আসামি খালাস

তবে এই সমঝোতা ইসরায়েলের ডানপন্থী রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দেশটির কট্টরপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সমালোচনা শুরু করেছে এবং অনেকেই চুক্তিটিকে ইসরায়েলের জন্য ‘কৌশলগত পরাজয়’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, এই সমঝোতার ফলে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সীমিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ