সীতাকুণ্ডের বাড়বকুন্ড ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ে এবার এরশাদ (৪২) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২২ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নতুনপাড়া এলাকার কেয়ারগ্যাঁ টিলার কলা বাগান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ।
নিহত এরশাদ বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের নুর বক্সের ছেলে। কেয়ারগ্যাঁ টিলায় তার কলা বাগান রয়েছে। লাশের গায়ে ধারালো বস্তুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন কৃষক তার নিজের কলাবাগানে এরশাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. সোহেলকে খবর দেয়। মেম্বার খবরটি পুলিশকে অবগত করলে অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোহেল বলেন, বিকেলে পাহাড় থেকে ফেরার পথে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে। এরপর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। কে বা কারা তাকে খুন করেছে সে ব্যাপারে অবগত নই।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৬টি পাহাড়ের পর আর একটি পাহাড়ের পাদদেশে এরশাদ নামের এক ব্যক্তির লাশ পড়ে ছিল। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধারের পর সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে। লাশের বাম পায়ে ধারালো কোন বস্তুর দ্বারা সৃষ্ট কয়েকটি গভীর ক্ষত রয়েছে। এছাড়া সিগারেট জাতীয় কোন কিছুর আগুন দিয়ে তার পিঠে আগুনের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, লোহার রোড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তারা বেশকিছু আলামত সংগ্রহ করেছেন। দুপুরের যেকোনো সময় লোকটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের সাঙ্গু রোডে নুর নবী নামের তেলের ডিপোর এক পাহারাদারকে খুন করে তারই রুমমেট নুর মোহাম্মদ নামের এক তরুণ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি নুর মোহাম্মদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।