নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম। তবে মহাজোটের কারণে দলের জন্য ‘স্যাক্রিফাইস’ করতে হয় তাকে।
দলীয় বদৌলতে এমপি বনেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এবারও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামকে। তবে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে জোটের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত।
এই আসনে আওয়ামী লীগের আরও চারটি বলয়। এর মধ্যে একটি বলয়ের নেতৃত্ব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনী চৌধুরী, বাকি তিনটি বলয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন শাহ, জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদুল আলম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন নোমান।
মনোনয়ন চেয়েছিলেন— চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম চৌধুরী চৌধুরী বাবুল, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মইনুদ্দিন, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ ইউনুছ, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম, উত্তর জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. শামীম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মনজুরুল আলম চৌধুরী এবং উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাসন্তী প্রভা পালিত।














