ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়: হামাস

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

গাজা উপত্যকার স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সাথে ইসরাইলের বহুল প্রত্যাশিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন বৃহস্পতিবার স্থানীয় সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে।

বুধবার (২২ নভেম্বর) হামাসের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

এদিকে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর নেতা মুসা আবু মারজুক বলেছেন, হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

গাজায় বন্দী ৫০ জিম্মির মুক্তি ও চারদিনের যুদ্ধবিরতির শর্তে ইসরায়েল এক চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেওয়ার পর হামাসের পক্ষ থেকে চুক্তিটি কার্যকরের সময় জানানো হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে ঢুকে হামলা চালায় হামাস। ২৪০ জনকে ধরে নিয়ে গাজায় জিম্মি করে রাখে হামাস যোদ্ধারা। ওই দিন শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় গাজায় ১৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছে। আর হামাসের হামলায় বারোশ’র বেশি ইসরাইলি নিহত হয়েছে।

আরও পড়ুন  রমজানে স্কুল খোলা

চলমান সংঘাত বন্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে কাতার এবং মিসর। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে দফায় দফায় আলোচনার পর মঙ্গলবার শিগগিরই হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে জানায় কাতার। পরে একই দিন রাতে ইসরাইলের যুদ্ধকালীন জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকে হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন পায়।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চার দিনের যুদ্ধবিরতির সময় ৫০ জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। এর বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ১৫০ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তি দেবে দেশটি।

আরও পড়ুন  রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান

হামাসের পক্ষ থেকে চুক্তি কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হলেও ইসরায়েল এই বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

হামাসের এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কেমন হতে পারে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রথমত গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে ইসরাইলের সব ধরনের ড্রোন এবং যুদ্ধবিমানের কার্যক্রম চারদিনের জন্য পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর উত্তর গাজার আকাশে ইসরাইলি ড্রোন ও বিমানের কার্যক্রম চুক্তির মেয়াদকালে প্রত্যেকদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় থাকা ইসরাইলি সব সৈন্য ও ট্যাংক তাদের অবস্থানে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে বিরতি চলাকালে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী কারও ওপর হামলা অথবা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না।

আরও পড়ুন  কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীকে যে বার্তা দিলেন তারেক রহমান

চুক্তি চলাকালে প্রত্যেকদিন মিসরের রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে ত্রাণবাহী ২০০ লরি, চারটি জ্বালানি ট্যাংকার এবং চারটি গ্যাস বহনকারী লরি গাজায় প্রবেশের অনুমতি পাবে।

যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত এলেও আতঙ্ক কাটছে না ফিলিস্তিনিদের। পশ্চিম তীরের হেবরনের বাসিন্দারা ইসরাইলের কারাগারে বন্দী ছয় হাজার ফিলিস্তিনির মুক্তির দাবি জানান।

এদের অনেকেরই আশঙ্কা, এই চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে ইসরাইল। তারা বলেন, ইসরাইল কোনদিনই কোন চুক্তি রক্ষা করেনি। আমাদের ভয়, এবারও তারা সেটা মানবে না।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ