বৃষ্টি ও উজানের পানির কারণে নিয়ন্ত্রণে আসছে না কাপ্তাই হ্রদের পানি। বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দিয়েও কমানো যাচ্ছে না পানির প্রবাহ। ফলে প্লাবিত হয়েছে হাজারো বাড়িঘর। যেগুলোর অধিকাংশ লংগদু ও বরকল উপজেলা এবং রাঙামাটি পৌরসভা এলাকায়।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। উজান হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানির উচ্চতা বিপৎসীমার ওপর চলে গেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ১৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব গেট থেকে সাড়ে ৩ ফুট করে পানি ছাড়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৮ দশমিক ৭৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। পানি বৃদ্ধি কিছুটা কমলেও বাঁধের নিচের অংশে বন্যা রোধে বেশি পানি ছাড়তে পারছে না বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। হ্রদের পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
বাধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় কাপ্তাই বাঁধের নিচের অংশ কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কের চন্দ্রঘোনার ফেরি চলাচল।
এদিকে বাঁধের পানির চাপ বাড়ায় সচল হয়েছে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবকটি ইউনিট। যা থেকে প্রতি সেকেন্ডে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।














