ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

‘যুক্তরাষ্ট্র চাইলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান’

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

যুক্তরাষ্ট্র চাইলে যুদ্ধের জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত-এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ার পর তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। ইরানের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে-এমন মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার আল জাজিরা আরবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনার পথ এখনো খোলা আছে। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তার ভাষায়, “গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় বর্তমানে আমাদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতি অনেক বেশি।

আরও পড়ুন  কাশ্মীর পেহেলগাম হামলায় অভিযুক্ত গোষ্ঠীকে ‘সন্ত্রাসী’ তালিকাভুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

রবিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় তিনি ‘কঠোর বিকল্প’ বিবেচনায় নিচ্ছেন। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে সামরিক পদক্ষেপও থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। উল্লেখ্য, ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা হয় অর্থনৈতিক সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে। পরে তা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক রাজনৈতিক দাবিতে রূপ নেয়।

ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনার একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হলে বৈঠকের আগেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর জবাবে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আগেও যে সামরিক পথ বেছে নিয়েছিল, সেটিই আবার গ্রহণ করে, তবে ইরান সেই পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত সংলাপ ও কূটনীতির ‘বুদ্ধিমানের পথ’ই বেছে নেবে।

আরও পড়ুন  পদত্যাগ করছেন উপদেষ্টা পরিষদে থাকা শিক্ষার্থীরা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছু আন্তর্জাতিক শক্তি সচেতনভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়াতে চাইছে, যাতে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করা যায়। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, চলমান বিক্ষোভের ভেতরে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ অনুপ্রবেশ করেছে, যারা নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। ইরানের অভিযোগ, এই অস্থিরতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকায় আসছেন কাতারের আমির

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সহিংসতায় দেশটির শতাধিক নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে বিরোধী পক্ষের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে। এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় ইরানের ভেতরের পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিগগিরই ইন্টারনেট পরিষেবা পুনরায় চালু করা হবে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ