ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

খাগড়াছড়িতে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে সকল প্রার্থী একমঞ্চে

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, নারী ক্ষমতায়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছেন খাগড়াছড়ি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে খাগড়াছড়ি টাউন হলের সামনে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রার্থীরা এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উদ্যোগে বিকেল ৪টা থেকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দীন ইউসুফ। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সনাক ঢাকার কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ সরকার। এতে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  'সিরিয়াল কিলার ছোট সাজ্জাদ' ও তার স্ত্রী তামান্নার জামিন স্থগিত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খাগড়াছড়ি আসনে বিভিন্ন দলের মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী মো. ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেন, তিনি খাগড়াছড়ির শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করবেন। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন তিনি। পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত খাগড়াছড়ি গড়ে তোলা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন।

আরও পড়ুন  বিএনপি ও তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, এলাকা থেকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূল করতে চাই। প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করব।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা বলেন, নির্বাচিত হলে নারীদের উন্নয়ন এবং নারী ও শিশুর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেব।

আরও পড়ুন  তরমুজ কেজিতে নয় পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশ

স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আমি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই।

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা বলেন, এলাকার সন্তান হিসেবে খাগড়াছড়ির উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। বিশেষ করে বেকার যুবক এবং তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কাজ করতে চাই।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১০ জন প্রার্থীই পাহাড়ি অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ