নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা সীমিত করে সংসদে পাস হয়েছে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) বিল ২০২৩। এর ফলে নির্বাচনে অনিয়মের জন্য শুধু মাত্র কেন্দ্র বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বেসরকারি ফল ঘোষণার পর অনিয়মের অভিযোগে পুরো আসনের ফল স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা আর ইসির হাতে থাকছে না।
মঙ্গলবার (৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হলে শুরুতেই আরপিও সংশোধনী বিল তোলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আইনটির উপর আনা সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিলের তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
তবে সংসদ সদস্যদের সব মন্তব্যই নাকচ করে দেন আইনমন্ত্রী। বলেন, বিলটি পাস হলে ভোটাধিকার আরও সুসংহত হবে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, তিনটা কি চারটা পোলিং সেন্টারে যদি কোন ইনটিডিমেশন বা ভায়োলেন্স হয় তাহলে সবগুলো সেন্টারে নির্বাচন বন্ধ করে দিতে পারবে না। মাননীয় স্পিকার সেটা গণতন্ত্রের পরিপন্থী। আরেকটা কথা হচ্ছে, জনগণের যে ভোটাধিকার রয়েছে সেটা সেই অধিকারেরও পরিপন্থী।
পরে কন্ঠভোটে নাকচ হয় জনমত যাচাই প্রস্তাব। এরপর সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয় আরপিও সংশোধিত বিল।
এরআগে, গত ১৮ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বসা মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩’ এর খসড়া উত্থাপন করা হয়। এতে নির্বাচনে অনিয়ম হলে গণপ্রতিনিধিত্ব সংশোধন আইনে গেজেট প্রকাশের পর পুরো ভোট বাতিলের ক্ষমতা সংক্রান্ত একটি সংশোধনীর প্রস্তাব দিয়েছিল ইসি। তবে সেটিতে সায় দেয়নি মন্ত্রিসভা।
বিলটি সংসদে পাস হওয়ার পর এখন রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে। তিনি বিলটিতে সই করলে এটি পরিণত হবে আইনে।














