ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

পুলিশের অনুমতি নিয়ে সমাবেশ প্রসঙ্গে যা বললেন রিজভী

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী পুলিশের অনুমতি নিয়ে সমাবেশ প্রসঙ্গে বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ পুলিশের অনুমতি নিয়ে হয়নি। নব্বইতে পুলিশের অনুমতি নিয়ে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন হয়নি। রাজনৈতিক সমাবেশের পুলিশের অনুমতি সংবিধান পরিপন্থী। রাজনৈতিক দলের কাজ হচ্ছে পুলিশকে অবহিত করা, আর পুলিশের দায়িত্ব নিরাপত্তা দেওয়া।

রবিবার (৩০ জুলাই) রাতে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে রামদা হকিষ্টিক নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হলো। যা সকল গণমাধ্যমে ছবিসহ প্রকাশ পেয়েছে। তাদের গ্রেফতার না করে উল্টো যাদের ওপর হামলা করা হলো তাদেরকেই আসামি করে মামলা করল পুলিশ।

আরও পড়ুন  'উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী'র সাবেক গাড়িচালক যৌথ বাহিনীর হাতে আটক

তিনি বলেন, ভোটবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির এক দফার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন দেশের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ও শতকরা ৮০ ভাগের বেশি জনগণ। ‘স্টেপ ডাউন শেখ হাসিনা’ লিখে পোস্ট দিয়েছেন বিশ্বে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদসহ শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্বদরবারে বারবার প্রমাণিত হয়েছে নিশিরাতের সরকার ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

রিজভী বলেন, আজকে তথাকথিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন- আগামী অক্টোবরে তফশিল ঘোষণা এবং ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। তবে এই স্বপ্ন কখনোই বাস্তবায়িত হবে না, শেখ হাসিনা আরেকটি ভোটারবিহীন তামাশার নির্বাচন করার অপচেষ্টা করছে, জনগণ তা হতে দেবে না।

আরও পড়ুন  ঢাকার গুলশানে বহুতল ভবনে আগুন

বিএনপির এই নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে জবাবে বলেন, সরকার নাকি মানবতা দেখিয়েছে! এক বছরে রাজপথে ১৭ জনকে হত্যা করেছেন, তখন কোথায় ছিল মানবতা? অসংখ্য নেতাকর্মীকে পঙ্গু বানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথায় ছিল মানবতা? গতকাল শনিবার বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করে পুরো রাজধানীকে রক্তে রঞ্জিত করেছেন, কোন মানবতা থেকে?

রিজভী বলেন, গতকালের সরকারি বাহিনীর সহিংস আক্রমণের খবর বিশ্বগণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর কৌশল নেয় আওয়ামী দুরাচার সরকার। এখন বিএনপির বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়ার জন্য নানা ফন্দি-ফিকির করলেও জনগণ এসব আমলে নেয়নি। বরং সরকারি বাহিনীর নির্যাতনের খবরই জনগণের মুখে মুখে।

আরও পড়ুন  বেদখলে আছে রেলের ২৩ হাজার একর জ‌মি: রেলমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে গতকাল শনিবার রাজধানীতে পুলিশ ও সরকারি দলের হামলায় আহত ও গ্রেফতারকৃত নেতাদের তালিকা প্রকাশ করে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, গতকাল ও আজকে ৫৪৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক করা ২৫০ নেতাকর্মীকে, আহত হয়েছেন ৬৫০ জনের অধিক।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ