ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

আজ মহানবমী

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আজ মহানবমী। নবমীর রাতে শেষ হয় উৎসব। নবমী রাতে বিদায়ের ঘণ্টা বাজে মণ্ডপে মণ্ডপে। কারণ পরদিন দেবী দুর্গা ফিরে যাবেন কৈলাসে। দুর্গাপূজার অন্তিম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয় নবমীকে। পরের দিন কেবল বিসর্জনের পর্ব।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) মহানবমীর সকালেও বিহিত পূজা হবে এবং সন্ধ্যায় হবে সন্ধিপূজা। পরে মঙ্গলবার সকালে দর্পণ বিসর্জনের পর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

এর আগে মহাঅষ্টমীতে কুমারীরূপে দেবী দুর্গার আরাধনা করলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। রবিবার সকাল থেকেই ঢাকার গোপীবাগে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে হাজার হাজার পুণ্যার্থী ভিড় করতে থাকেন। ঢাকের বাদ্য, কাঁসরঘণ্টা, শঙ্খের আওয়াজ আর উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় পুরো প্রাঙ্গণ। এছাড়া সকাল থেকেই দেবী দুর্গার আরাধনায় মণ্ডপে মণ্ডপে চলে পূজা আর চণ্ডীপাঠ। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রামকৃষ্ণ মিশনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটে মহাঅষ্টমী পূজা শুরু হয়। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হয় পুষ্পাঞ্জলি। বেলা ১১টায় শুরু হয় কুমারী পূজা।

আরও পড়ুন  দেশে ফিরেছেন প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান

পূজা শেষে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, এ বছর কুমারী মা হয়েছেন শতাক্ষী গোস্বামী। তার বাবার নাম শ্যামল গোস্বামী, মা রীতা গোস্বামী। রাজধানীর নবেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে গ্রুপের শিক্ষার্থী শতাক্ষী গোস্বামী। তার জন্ম ২০১৮ সালে।

শাস্ত্রমতে, মানববন্দনা, নারীর সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ঈশ্বরের আরাধনাই কুমারী পূজার শিক্ষা। যে ত্রিশক্তিতে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের চক্রে আবর্তিত হচ্ছে, সেই শক্তি কুমারীতে বীজ আকারে আছে। এ বিশ্বাসেই হিন্দু ধর্মের মানুষেরা কুমারীকে দেবী দুর্গা হিসাবে আরাধনা করেন অষ্টমীতে। পূজার আগে কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন লাল শাড়ি, গয়না, পায়ে আলতা, ফুলের মালা এবং অলংকারে সাজানো হয় দেবীরূপে। পদ্মফুল হাতে দেবী পূজার আসনে বসার পর মন্ত্রপাঠ আর স্তুতিতে তার বন্দনা করা হয়।

আরও পড়ুন  ৬৪ জেলায় কাল সকাল সন্ধ্যা অবরোধ

নবমী তিথি শুরু হয় সন্ধিপূজা দিয়ে। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট মিলে মোট ৪৮ মিনিটে পালিত হয়ে থাকে সন্ধিপূজা। মূলত এ সময় করা হয় দেবী চামুণ্ডার পূজা। কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজা পালন করা হয় নবমী তিথিতে।

নবমীর সকাল মানে অশুভ শক্তি থেকে মুক্তি। শ্রী রামচন্দ্র দুর্গার শক্তি আর আশীর্বাদ নিয়ে এই দিনে অশুভ রাবণকে বিনাশ করেছিলেন বলে একে অকাল বোধন বলা হয়।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না: সারজিস আলম

মূলত নবমীর দিনই পূজার শেষ হয়। তবে বিজয়া দশমীর দিনেও কিছু আনুষ্ঠানিকতা থাকে। বিজয়া দশমীতে দুর্গা দেবীর দশমী বিহিত পূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ